১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৫৯ পিএম

বালিকা এককের পর এবার সিনিয়র নারী এককেও শিরোপা জিতে নিলেন খই খই সাই মারমা। ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ অনন্য এক ‘ডাবল’দিয়ে শেষ করলেন বিকেএসপির এই খেলোয়াড়।
আজ শুক্রবার পল্টনের শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ উডেন ফ্লোর স্টেডিয়ামের ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন সাদিয়া ইসলাম মৌকে ৩-০ সেটে উড়িয়ে দিয়েছেন খই খই। দ্বিমুকুট জিতে গত আসরের আক্ষেপ ঘোচালেন খই খই।
জয়ের পর খই খই বলেন,
‘খুবই ভালো লাগছে। কারণ আগেরবারও টার্গেট ছিল ২০২৩ সালে সিনিয়র এবং জুনিয়র দুটিতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়া, কিন্তু পারিনি। তাঁর (মৌ) বিপক্ষেই কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে গিয়েছিলাম। তো এবার দলগত লড়াইয়ে তাঁর কাছে হেরে গিয়েছিলাম বলে একটু সংশয় ছিল এককে জিততে পারব কি না। আমি চেষ্টা করেছি আক্রমণাত্মক খেলে তাঁকে চাপে রাখতে।’
গত বছরের নভেম্বরে ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে মিশ্র দ্বৈতে রুপা জেতেন খই খই। টেবিল টেনিসে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই সেরা সাফল্য। ঘরোয়া টুর্নামেন্টেও নিজেকে প্রতিনিয়ত ছাড়িয়ে যাচ্ছেন খই খই।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খই খই বলেন,
‘এবার মোট ৮টি ইভেন্টে অংশ নিয়ে ৬টি সোনা, ১টি রুপা এবং ১টি ব্রোঞ্জ পেয়েছি। ভবিষ্যতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া যত কঠিন, শিরোপা ধরে রাখা তো আরও কঠিন। তবে আমি চেষ্টা করব প্রতিটি টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়নশিপ ধরে রাখতে।’
পুরুষ এককে রামহিম লিয়ন বমকে ৩-১ সেটে হারিয়ে সেরা হয়েছেন মুহতাসিন আহমেদ হৃদয়। এনিয়ে তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হলেন তিনি,
‘অনেক দিনের পরিশ্রমে সফল হয়েছি, এই জন্য আরও বেশি আনন্দিত। আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখন এশিয়ান গেমস। সামনে এশিয়ান গেমসের ক্যাম্প হয়ত বা করা হবে। তো আমি চেষ্টা করব সেখানে ভালো কিছু করার।’
সব মিলিয়ে ১৪টি ইভেন্টের মধ্যে বিকেএসপি ৯টি, আনসার ও ভিডিপি ৩টি এবং সেনাবাহিনী দুটিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
No posts available.
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৩ এম

বয়স সবেমাত্র ২২ বছর। এরইমধ্যে ক্যারিয়ারে ৬টি গ্রান্ড স্ল্যাম জিতেছেন স্প্যানিশ তারকা কার্লোস আলকারাজ। ইউএস ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, উইম্বলন্ডন জয়ের পর অপেক্ষায় অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ঘরে তোলার।
রোববার থেকে শুরু হতে যাওয়া অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কখনই কোয়ার্টার ফাইনাল পেরোতে পারেননি আলকারাজ। এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতলে সবচেয়ে কম বয়সে চারটি ভিন্ন গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অনন্য কীর্তি গড়বেন আলকারাজ।
সবচেয়ে কম বয়সে চারটি গ্রান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ডের মালিক এখন আলকারাজেরই স্বদেশি রাফায়েল নাদালের। ২৪ বছর বয়সে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন ২২ গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী এই কিংবদন্তি।
আলকারাজ এবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে ক্যারিয়ারে গ্র্যান্ড স্ল্যাম পূর্ণ করার পথে এগোতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন টেনিস কিংবদন্তি রজার ফেদেরার।
মেলবোর্ন পার্কে এক সংবাদ সম্মেলনে ফেদেরার বলেন,
‘এত কম বয়সে ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম পূর্ণ করা হলে তা হবে অবিশ্বাস্য। দেখি এই সপ্তাহে অসাধারণ কিছু করতে পারে কি না। আমি সত্যিই চাই সে জিতুক-টেনিসের জন্য এটা হবে দারুণ বিশেষ এক মুহূর্ত।’
আলকারাজের ঝুলিতে রয়েছে দুইটি উইম্বলডন, দুইটি ফ্রেঞ্চ ওপেন ও দুইটি ইউএস ওপেন শিরোপা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিততে পারলে চার গ্র্যান্ড স্ল্যামই পূর্ণ হবে তাঁর।
নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ৪৪ বছর বয়সী ফেদেরার বলেন,
‘ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম সম্পূর্ণ করা সহজ নয়। ফ্রেঞ্চ ওপেন জিততে আমাকে অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ররি ম্যাকইলরয়ের মাস্টার্স জয়ের চেষ্টার মতো-এগুলো কঠিনই।’
বর্তমান বিশ্বের এক নম্বর আলকারাজের সঙ্গে ইতালির ইয়ানিক সিনারের দ্বৈরথ ইতিমধ্যেই টেনিসভক্তদের মুগ্ধ করেছে। এই দ্বৈরথকে অনেকেই টেনিসের নতুন 'সোনালী যুগ' হিসেবে দেখছেন। ফেদেরার, নাদাল এবং জোকোভিচের মতো কিংবদন্তিদের উত্তরসূরি হিসেবে এই দুই তরুণ তুর্কি কোর্টে আধিপত্য বিস্তার করে লড়ছেন। গত আটটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম দুজনই ভাগাভাগি করে জিতেছেন এবং টানা তিনটি ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছেন।
ফেদেরার বলেন,
‘গত কয়েক বছরে ওদের উন্নতি অসাধারণ। দুজনই দুর্দান্ত বল স্ট্রাইকার। সামনে আরও অনেক কিছু দেখার আছে। আশা করি, তারা চোটমুক্ত থাকবে।’
২০২০ সালের পর এবারই প্রথম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এসেছেন ফেদেরার। শনিবার তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারকে সম্মান জানাতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ও ১০৩টি এটিপি শিরোপাজয়ী এই সুইস কিংবদন্তি অবসর জীবন উপভোগ করছেন পরিবার ও সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটিয়ে।

ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের নারী এককে শিরোপা জিতেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। হেরে গেলেও ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে আসেন ইউক্রেনের টেনিস তারকা মার্তা কস্তিউক। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজের দেশের যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।
আজ ফাইনালে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় সাবালেঙ্কার কাছে ৬-৪, ৬-৩ সেটে হেরে রানার্সআপ হন কস্তিউক। ম্যাচ শেষে বক্তব্য দিতে গিয়ে ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরেন তিনি।
কস্তিউক বলেন,
‘আমি ইউক্রেন নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। প্রতিদিন হৃদয়ের গভীর ব্যথা নিয়ে খেলি। এই মুহূর্তে আমাদের দেশে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎ ও গরম পানির সুবিধা ছাড়া আছে। বাইরে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি। এই বাস্তবতার সঙ্গে প্রতিদিন বেঁচে থাকা খুবই কষ্টকর।’
পরিবারের সদস্যদের দুর্ভোগের কথা বলতে গিয়ে কস্তিউক বলেন
‘ব্রিসবেনে খুব গরম, তাই বিষয়টি কল্পনা করা কঠিন। কিন্তু বাড়িতে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে আমার বোন তিনটি কম্বলের নিচে ঘুমাচ্ছে।’
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর থেকে দেশটিতে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
ফাইনালের পর কস্তিউকের প্রশংসা করেন চ্যাম্পিয়ন সাবালেঙ্কা। তিনি জানিয়েছেন, মৌসুমের শুরুতেই দারুণ খেলছেন কস্তিউক। ভবিষ্যতে আরও অনেক ফাইনালে তাঁর মুখোমুখি হওয়ার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এই জয়ের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিসবেন ওপেনের শিরোপা জিতলেন সাবালেঙ্কা।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের আগে যেন প্রতিশোধ নিতে কোর্টে নেমেছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। গতকাল ম্যাডিসন কিজকে হারানোর পর আজ সেমিফাইনালে কারোলিনা মুখোভার বিপক্ষে জয় তুলেন নিলেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর তারকা।
ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালে মুখোভাকে সরাসরি ৬-৩, ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন সাবালেঙ্কা। এই নিয়ে টানা তিনবার ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের ফাইনালে উঠলেন বেলরুশ তারকা।
সেমিফাইনালে নামার আগে হেড-টু-হেড রেকর্ডে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন মুখোভা। সাবালেঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ ৩ ম্যাচেই জয় পেয়েছিলেন। তবে আজ তিনি পাত্তাই পাননি।
পুরো ম্যাচে আধিপত্য ধরে খেলেন সাবালেঙ্কা। প্রথম সেটের দ্বিতীয় গেমেই ব্রেক পয়েন্ট নিয়ে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শক্তিশালী ব্যাকহ্যান্ড উইনারে প্রথম সেট নিজের করে নেন।
দ্বিতীয় সেটে মুখোভা কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও সাবালেঙ্কার সঙ্গে পেরে ওঠেননি। নবম গেমে আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক পয়েন্ট জিতে ৫-৪ ব্যবধানে এগিয়ে যান সাবালেঙ্কা। শেষ পর্যন্ত নিজের সার্ভিস ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করেন এই বেলরুশ তারকা।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘দ্বিতীয় সেটের শেষের দিকে অনেক কাছাকাছি পয়েন্ট ছিল, তবে সরাসরি সেটে ম্যাচ শেষ করতে পেরে আমি খুব খুশি। প্রতিপক্ষ খুবই শক্তিশালী, তাই শেষ মুহূর্তে সুযোগ দিলে কাজে লাগাতেন। জয় নিশ্চিত করতে পেরে আনন্দিত।‘
দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আমেরিকার জেসিকা পেগুলাকে সরাসরি ৬-০, ৬-৩ সেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন ইউক্রেনের মার্তা কস্টিউক। আগামীকাল ফাইনালে কস্টিউকের বিপক্ষে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের ট্রফি জয়ের জন্য কোর্টে নামবেন সাবালেঙ্কা।

প্রায় দুই বছর পর আবারও টেবিল টেনিসের বলের ঠুকঠাক শব্দ ও দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠেছে পল্টনের শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়াম। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ৪০তম জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ।
প্রায় ৫০০ খেলোয়াড় অংশ নিয়েছেন এবারের প্রতিযোগিতায়। মোট দল ৪৯টি। এর মধ্যে ৪১টি জেলা দল এবং আটটি সার্ভিস ও প্রাতিষ্ঠানিক দল। সকাল থেকেই বিভিন্ন বয়সের খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে কোর্টগুলো ছিল ব্যস্ত।
উদ্বোধনী দিনে আলাদা করে নজর কেড়েছে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। সাবেক জাতীয় টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ফাতেমা তুজ জোহরা আঁখি এবারের চ্যাম্পিয়নশিপে দায়িত্ব পালন করছেন রেফারি হিসেবে, আর একই টুর্নামেন্টে খেলোয়াড় হিসেবে অংশ নিয়েছে তারই ১০ বছর বয়সী ছেলে ইজাজ হোসেন আয়াত।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়াত শুক্রবার নিজের প্রথম ম্যাচ খেলেছে, যা তাঁর জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে অভিষেক। পাঁচ বছর বয়সে টেবিল টেনিসে হাতেখড়ি আয়াতের। বর্তমানে সে প্রতিদিন নিয়মিত দুই থেকে তিন ঘণ্টা অনুশীলন করে। এর আগে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দুটি টুর্নামেন্টে খেলেছে আয়াত।
২০১৫ সালে লেভেল-ওয়ান এবং ২০২৫ সালে লেভেল-টু কোচিং কোর্স সম্পন্ন করা আঁখির বিশ্বাস, ক্রিকেট ও ফুটবলের বাইরেও শিশুদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা জরুরি। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি শিশুরই কোনো না কোনো খেলায় যুক্ত থাকা উচিত। টেবিল টেনিস স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভালো পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এই খেলাটি শিশুদের জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।’
দিনভর ও সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে থাকা ম্যাচগুলো নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের (টিটি) সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এম. এ. মাকসুদ আহমেদ বলেন, দর্শকে ভরা স্টেডিয়াম ও প্রতিযোগিতামূলক খেলাগুলো আশাব্যঞ্জক। তিনি আরও জানান, জেলা ও বিভাগ পর্যায়ে টেবিল টেনিসের প্রসার ঘটানোই ফেডারেশনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু ১৮ জানুয়ারি। এর আগে গ্রান্ডস্ল্যামের প্রস্তুতি ভালোভাবেই সেরে নিচ্ছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যাডিসন কিজকে হারিয়ে ব্রিসবেন ইন্টারন্যাশনালের সেমি-ফাইনালে উঠেছেন বেলরুশ তারকা।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ফাইনালে কিজের কাছে হেরে বসেন সাবালেঙ্কা। ব্রিসবেনের প্যাট রাফটার এরিনাতে কোয়ার্টার ফাইনালে কিজকে সরাসরি ৬-৩, ৬-৩ গেমে হারান বিশ্বের নম্বর ওয়ান এই টেনিস তারকা। চলতি মৌসুমে সরাসরি সেটে সাবালেঙ্কার এটি টানা তৃতীয় জয়।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় কিজের বিপক্ষে হেরেছিলাম। সেটাই আমার বড় প্রেরণা। তবে আমি অতীত নিয়ে পড়ে থাকি না। প্রতিটি ম্যাচকেই নতুন ম্যাচ হিসেবে দেখি।’
সেমিফাইনালে সাবালেঙ্কার প্রতিপক্ষ চেক প্রজাতন্ত্রের কারোলিনা মুখোভা। কোয়ার্টার ফাইনালে র্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নম্বর তারকা এলেনা রাইবাকিনাকে ৬-২, ২-৬, ৬-৪ ব্যবধানে হারান তিনি। এই জয়ে রাইবাকিনার টানা ১৩ ম্যাচের জয়ের ধারা থামিয়ে দেন মুখোভা।
সেমিফাইনালে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে সাবালেঙ্কাকে। মুখোভা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কঠিন প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। ২০২৩ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেন এবং সিনসিনাটি ওপেনসহ সাবালেঙ্কার বিপক্ষে শেষ তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছেন মুখোভা।
আগামীকাল সেমিফাইনাল কোর্টে নামবেন সাবালেঙ্কা-মুখোভা। হেড-টু-হেড রেকর্ডে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে আছেন মুখোভা।