
ফ্রেঞ্চ ওপেনের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কার্লোস আলকারাজ লাল মাটির লড়াই থেকে সরে দাড়াতে পারেন। ডান হাতের কবজিতে গুরুতর চোট পাওয়া স্প্যানিশ তারকার অনুপস্থিতিতেই আগামী ২৪ মে’তে শুরু হতে পারে রোলাঁ গাঁরোর মহারণ।
চোটের কারণে গত সপ্তাহে বার্সেলোনা ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন আলকারাজ। প্রথম রাউন্ডে জয়ের পর ডান হাতের কবজিতে চোট পান বিশ্বের এই দুই নম্বর খেলোয়াড়। পরবর্তীতে মাদ্রিদ ওপেন থেকেও সরে দাঁড়ান তিনি।
আলকারাজ জানিয়েছেন, তাঁর কবজির চোটের পরবর্তী পরীক্ষার ফলাফলই নির্ধারণ করবে তিনি ফ্রেঞ্চ ওপেনে খেলতে পারবেন কি না। তাঁর মতে, এই পরীক্ষার ফলাফল হবে অত্যন্ত ‘গুরুত্বপূর্ণ’। স্প্যানিশ চ্যানেল টিভিই-কে আলকারাজ বলেন, ‘আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি যেন এই পরীক্ষার ফলাফল ইতিবাচক আসে। আমি ধৈর্য ধরার চেষ্টা করছি। আমরা এখন সুস্থ আছি, শুধু কিছুটা সময় অপেক্ষা করছি।’
আরও পড়ুন
| বাংলাদেশ টেবিল টেনিসে জাপানের কোচ নাকানো |
|
টানা দুবারের ফ্রেঞ্চ ওপেন চ্যাম্পিয়ন এবং সাতটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক আলকারাজ এই চোটকে ‘প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি গুরুতর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আলকারাজ যোগ করেন, ‘আগামী কয়েক দিনে আমাদের আরও কিছু পরীক্ষা আছে। তারপরই বোঝা যাবে চোটের বর্তমান অবস্থা কী এবং আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।’
চলতি মাসে ইয়ানিক সিনার মন্টে কার্লো ফাইনালে আলকারাজকে হারিয়ে বিশ্বের এক নম্বর র্যাঙ্কিং পুনরুদ্ধার করেছেন। গত মৌসুমে আলকারাজ মন্টে কার্লো, রোম এবং রোলাঁ গারোঁর ক্লে-কোর্ট শিরোপা জিতেছিলেন এবং বার্সেলোনায় ফাইনালে উঠেছিলেন। এই চোটের কারণে র্যাঙ্কিংয়ে সিনারের চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ার শঙ্কায় আছেন তিনি।
অবশ্য চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় তাড়াহুড়ো করতে নারাজ আলকারাজ বলেন, ‘অসুস্থ অবস্থায় তড়িঘড়ি করে ফেরার চেয়ে আমি বরং একটু দেরিতে কিন্তু পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরতে চাই। ঈশ্বর চাইলে আমার সামনে দীর্ঘ ক্যারিয়ার পড়ে আছে। এই রোলাঁ গারোঁতে নিজেকে অতিরিক্ত চাপে ফেললে ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলোতে আমার অপূরণীয় ক্ষতি হতে পারে।’
পেশাদার জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে তিনি বলেন, ‘পেশাদার দুনিয়ায় এমনটা ঘটতেই পারে। এটা মেনে নিতে হবে। আমি যদি চাই পরবর্তীতে এই চোট যেন আমাকে ভোগান্তিতে না ফেলে, তবে এখনই খুব ভালোভাবে সেরে ওঠা প্রয়োজন।’
No posts available.
টেনিস বিশ্বের জন্য বড় দুঃসংবাদ। আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে দাঁড়ালেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কার্লোস আলকারাজ।
ডান হাতের কবজির চোট কাটিয়ে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বিশ্বের দুই নম্বর তারকা।
শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) আলকারাজ নিশ্চিত করেছেন, প্যারিসের গ্র্যান্ড স্ল্যামের পাশাপাশি রোমে ইতালিয়ান ওপেনেও তিনি অংশ নিতে পারছেন না।
চলতি মাসের মাঝামাঝিতে বার্সেলোনা ওপেনের প্রথম রাউন্ডে খেলার সময় ডান হাতের কবজিতে চোট পান আলকারাজ। এরপর মাদ্রিদ ওপেন থেকেও নাম সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।
আলকারাজ লেখেন,
‘মেডিকেল টেস্টের পর আমরা সতর্কতা হিসেবে রোম ও ফ্রেঞ্চ ওপেনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমার জন্য অত্যন্ত কঠিন একটি মুহূর্ত, তবে আমি নিশ্চিত যে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসব।’
২০২৬ সালের শুরুটা আলকারাজের জন্য ছিল রূপকথার মতো। বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে নোভাক জকোভিচকে হারিয়ে তিনি সর্বকনিষ্ঠ পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ার গ্র্যান্ড স্ল্যাম পূর্ণ করেন।
তবে এরপর থেকে ফর্মে কিছুটা ভাটা পড়ে তার। চলতি মাসে মন্টে কার্লোর ফাইনালে ইয়ানিক সিনারের কাছে হেরে র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারান এই স্প্যানিশ তারকা।
সোমবার মাদ্রিদে লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডসে আলকারাজকে কবজিতে ব্যান্ডেজ পরা অবস্থায় দেখা যায়। সেই অনুষ্ঠানে তিনি ২০২৬ সালের সেরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদ হিসেবে ভূষিত হন। কবজির এই চোটই তাকে এখন মাঠের বাইরে ছিটকে দিল।

টেবিল টেনিসের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে জাপানের অভিজ্ঞ কোচ ইউতাকা নাকানোকে দুই বছরের জন্য প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন (বিটিটিএফ)।
বুধবার দিবাগত রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নাকানোকে স্বাগত জানান ফেডারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার ওয়াসিফ ফারহান শায়ের।
আসন্ন কমনওয়েলথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান গেমস, এশিয়ান যুব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ, সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ এবং সাউথ এশিয়ান গেমসকে সামনে রেখে এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিটিটিএফ। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে জাতীয় র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১৬ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী খেলোয়াড়কে এশিয়ান গেমসের সিলেকশন ক্যাম্পে ডাকা হয়েছে।
ইউতাকা নাকানো সাবেক জাপানি টেবিল টেনিস খেলোয়াড়, যিনি পরবর্তীতে কোচিং পেশায় যুক্ত হন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার অভিজ্ঞতা বিস্তর। কোচ হিসেবে এটি তাঁর দ্বিতীয়বার বাংলাদেশে আগমন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি ল্যাবএইডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ফিউচার স্পোর্টিং ক্লাবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্যামসন দুবিনা টেবিল টেনিস অ্যাকাডেমিতে কোচ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বিটিটিএফের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ. এম. মাকসুদ আহমেদ সনেট বলেন,
“আমরা বিশ্বাস করি, ইউতাকা নাকানোর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেবিল টেনিস নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাফল্য আরও বাড়বে।”
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে আলাদাভাবে দল নির্বাচন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপে মহিলা দলের কোচ হিসেবে প্রাক্তন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন সালেহা সেতু-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে দেশীয় কোচদের দক্ষতা উন্নয়নসহ পুরুষ, মহিলা, বালক ও বালিকা—প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত কোচ নিয়োগের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন অনেকাংশেই সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার ওপর নির্ভরশীল।

ক্যারিয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছুঁলেন কার্লোস আলকারাজ। সাম্প্রতিক মন্টে কার্লো মাস্টার্সে শিরোপা জিততে না পারলেও একাধিক সাফল্য নিয়ে ফিরেছেন তিনি।
২২ বছর বয়সেই আলকারাজ নিজের ক্যারিয়ারের দশম মাস্টার্স এক হাজার ফাইনালে পৌঁছান। একই সঙ্গে এটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের ২০তম বড় ফাইনাল। অল্প বয়সে এমন ধারাবাহিকতা টেনিস অঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মন্টে কার্লোর রানারআপ হওয়ায় প্রাপ্ত অর্থ আলকারাজের ক্যারিয়ারের মোট পুরস্কার অর্থকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বর্তমানে তাঁর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি, যা তাঁকে সর্বকালের তালিকায় পঞ্চম স্থানে তুলে এনেছে। তালিকায় তিনি ছাড়িয়ে গেছেন ব্রিটিশ তারকা অ্যান্ডি মারেকে।
এই তালিকায় আলকারাজের সামনে এখন কেবল টেনিসের চার কিংবদন্তি—নোভাক জোকোভিচ, রাফায়েল নাদাল, রজার ফেদেরার এবং নারী টেনিসের মহাতারকা সেরেনা উইলিয়ামস।
মন্টে কার্লোর ফাইনালে আলকারাজকে পরাজিত করা ইতালিয়ান তারকা ইয়ানিক সিনারও এই তালিকায় উন্নতি করেছেন। তিনি এক ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন। সেমিফাইনালে যাঁকে হারিয়েছিলেন, সেই জার্মান খেলোয়াড় আলেকজান্ডার জভেরেভকে পেছনে ফেলেই এই অগ্রগতি।
সব মিলিয়ে, অল্প বয়সেই আলকারাজ যে গতিতে এগিয়ে চলেছেন, তাতে ভবিষ্যতে টেনিসের সর্বকালের সেরা আয়কারী খেলোয়াড়দের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করলেন ইয়ানিক সিনার। কার্লোস আলকারাজকে হারিয়ে মন্টে কার্লো মাস্টার্স জিতে এক নম্বর র্যাঙ্কিংও পুনরুদ্ধার করেছেন ইতালিয়ান এই তারকা।
ফাইনালে ৭-৬ (৭-৫), ৬-৩ সেটে জয় তুলে নেন সিনার। ম্যাচটি ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, যেখানে শুরু থেকেই দু’জনই একে অপরকে চাপে রাখেন।
তবে টাই-ব্রেকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে প্রথম সার্ভ ঠিকঠাক কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যান সিনার। আলকারাজের একটি ডাবল ফল্টও সেই সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন
| সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টিটিতে স্বর্ণ জয় বাংলাদেশের |
|
পুরো ম্যাচে দুই খেলোয়াড়ই বাতাসের প্রভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন। যে কারণে দেখা যায় ৮৩টি আনফোর্সড এরর- যা ম্যাচের অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে তোলে।
দ্বিতীয় সেটে শুরুটা ভালো হয়নি সিনারের। শুরুতেই ব্রেক খেয়ে ৩-১ পিছিয়ে পড়েন। তবে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়ে ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করেন আলকারাজের ওপর।
৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর স্প্যানিশ তারকার দুর্বল সার্ভিস গেম কাজে লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্রেক আদায় করেন তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
এই জয়ের মাধ্যমে ২৪ বছর বয়সী সিনার চলতি বছরে তৃতীয় এটিপি মাস্টার্স ১০০০ শিরোপা জিতলেন। এর আগে ইন্ডিয়ান ওয়েলস ও মায়ামি ওপেন জিতেছিলেন তিনি। পাশাপাশি মাস্টার্স সিরিজে তার টানা জয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ ম্যাচে।
ম্যাচ শেষে সিন্নার বলেন, ক্লে কোর্টে খেলার সঙ্গে আবার মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা ছিল এই টুর্নামেন্টে তার মূল লক্ষ্য। তবে শিরোপা জয়ের সঙ্গে এক নম্বরে ফেরাটা তার জন্য বিশেষ অর্জন।

সাউথ এশিয়ান ইয়ুথ টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে স্বর্ণ পদক জিতেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ বালক দল। ফলে আগামী ২১-২৭ জুন ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অনুষ্ঠিতব্য আইটিটিএফ-এটিটিইউ এশিয়ান ইয়ুথ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করেছে লাল-সবুজ দল।
বাংলাদেশ ২০২২ সালে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত প্রথম সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে স্বর্ণপদক জিতেছিল। ২০২৩ ভারতের অরুনাচল এবং ২০২৪ সালে শ্রীলঙ্কার ক্যান্ডিতে রৌপ্যপদক জিতেছিল লাল সবুজ দল। আর গতবছর নেপালের কাঠমান্ডুতে ব্রোঞ্চ পদক পেয়েছিল তারা।
ভারতের হিমাচল প্রদেশের শিমলায় ৮-১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় দিনে শক্তিশালী শ্রীলঙ্কাকে ৩-১ সেটে পরাজিত করে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং নিশ্চিত করে স্বর্ণপদক। গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও নেপাল তিনটি দলই সমান ৫ পয়েন্ট অর্জন করলেও সেট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান দখল করে বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতে শ্রীলঙ্কার ভিয়ানদুয়া আকাইনের কাছে ২-৩ গেমে হেরে যান বিকেএসপির আবুল হাসেম হাসিব। তবে পরবর্তীতে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নাফিজ ইকবাল ৩-০ গেমে দানুক লামাসুরিয়াকে পরাজিত করেন। এরপর জয় ইসলাম ৩-০ ব্যবধানে মুনাসিংহা হারিনকে হারিয়ে দলকে এগিয়ে নেন। শেষ ম্যাচে দলের অধিনায়ক নাসিফ ইকবাল ৩-১ গেমে ভিয়ানদুয়া আকাইনকে হারিয়ে নিশ্চিত করেন স্বর্ণজয়।
আরও পড়ুন
| ক্যারিয়ার দীর্ঘ করতে নতুন সিদ্ধান্ত রশিদ খানের |
|
বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন এ এম মাকসুদ আহমেদ সনেট এই সাফল্যে উছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, এ অর্জনের কৃতিত্ব খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা, স্পন্সর এবং ক্রীড়াবান্ধব সরকারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। তিনি জানান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার ফুট উচ্চতায় এবং প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খেলতে গিয়ে শুরুতে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও খেলোয়াড়রা। তবুও তারা পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালক দল নেপালকে ৩-১ এবং মালদ্বীপকে ৩-০ সেটে হারালেও শ্রীলঙ্কার কাছে ০-৩ সেটে পরাজিত হয়েছে। তাদের সামনে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ বাকি রয়েছে।
অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা দল মালদ্বীপ (১-৩), নেপাল (০-৩) ও শ্রীলঙ্কার (১-৩) বিপক্ষে তিনটি ম্যাচেই পরাজিত হয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে।
অনূর্ধ্ব-১৫ বালিকা দল শ্রীলঙ্কার কাছে ০-৩ এবং নেপালের কাছে ২-৩ সেটে হেরে গেছে। তাদের সামনে মালদ্বীপ ও ভারতের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ বাকি।
উল্লেখ্য, গত বছর এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ৭টি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছিল। আগামী শুক্র ও শনিবার প্রতিযোগিতার একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।