
সাউথ আফ্রিকার সাথে টেস্টে ভুগছে বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ১৫৯ রানে গুটিয়ে যাওয়া টাইগাররা পিছিয়ে ৪১৬ রানের বড় ব্যবধানে। সেই ম্যাচ দেখতে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে হাজির বিসিবি প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমেদ। সেখানে বিসিবির বড় কর্তা নিশ্চিত করেছেন সাকিব আল হাসানের আফগানিস্তানের সাথে না থাকা।
আজ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম টেস্টের লাঞ্চ বিরতিতে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমে বলেন,
'মিরপুরে টেস্ট খেলার জন্য সাকিবকে নিয়ে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। আমাদের পক্ষে বিষয়টি সহজ ছিল না, তবে আমরা সবকিছু স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। সাকিবের এখন যে মানসিক অবস্থা এবং ক্রিকেটে ফিরতে সে নিজেই একটু সময় চেয়েছে।'
শারজায় আফগানদের সাথে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ দলের রওনা দেওয়ার কথা ৩ নভেম্বর। বিসিবি প্রেসিডেন্ট আরো যোগ করেন,
'সাকিব যদি সেখান থেকে নিজেকে প্রস্তুত মনে করেন, তবে আগামী সিরিজগুলোয় তাঁর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে আপাতত আফগানিস্তান সিরিজে তাঁকে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মনে হচ্ছে এই সফরটা সে মিস করবে।'
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু ৬ নভেম্বর। দ্বিতীয় ওয়ানডে ৯ নভেম্বর আর শেষটি ১১ নভেম্বরে।
No posts available.
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫২ এম
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০২ পিএম
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম

অবশেষে শেষ হলো সব জল্পনা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি), পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ত্রিপক্ষীয় সভার পর এই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলল পাকিস্তান।
বৈঠকে পিসিবি আইসিসির সামনে একাধিক দাবি তোলে। এরমধ্যে কিছু বিষয়ে সব পক্ষ একমত হলেও জয় শাহের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্তা সংস্থাটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। সূত্রের বরাতে তারা জানিয়েছে দুটি দাবি মানা হলেও পিসিবির তিনটি দাবি প্রত্যাখান করা হয়।
দাবি ১: বাংলাদেশের ওপর কোনো আর্থিক জরিমানা নয়
পিসিবি জোর দিয়ে জানায়, টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশকে যেন আইসিসির রাজস্ব বণ্টনে পূর্ণ অংশ দেওয়া হয়। প্রতিক্রিয়ায় আইসিসি জানায়, এটি আগেই তাদের সিদ্ধান্ত—বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো আর্থিক জরিমানা করা হবে না। আইসিসি গতকাল সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বিশ্বকাপ না খেলায় বিসিবির ওপর বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কোনো আর্থিক, খেলা নিয়ে অথবা প্রশাসনিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যাওয়ার অধিকার রাখে। আইসিসির বর্তমান বিধিমালার আওতায় এই অধিকার বিদ্যমান এবং তা অক্ষুণ্ন থাকবে।
দাবি ২: বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে আইসিসি ইভেন্ট
আইসিসির পরবর্তী চক্রে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত একটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তাব দেয় পিসিবি। সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়, ২০৩১ সালের বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি এবং পরিচালনাগত শর্তাবলির অধীন থাকবে। ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা বাংলাদেশের। একটি অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
দাবি ৩: ভারত–পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় সিরিজ
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজন সহজ করতে আইসিসির হস্তক্ষেপ চায় পিসিবি। তবে আইসিসি জানায়, দ্বিপক্ষীয় সিরিজ তাদের এখতিয়ারের বাইরে—বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রেও একই নীতি প্রযোজ্য। ফলে এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।
দাবি ৪: ভারত–পাকিস্তান–বাংলাদেশ ত্রিদেশীয় সিরিজ
ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব দেয় পিসিবি। এখতিয়ারের অভাব দেখিয়ে এই প্রস্তাবও নাকচ করা হয়েছে।
দাবি ৫: ২০২৬ সালে ভারতের বাংলাদেশ সফর
২০২৬ সালে ভারতের বাংলাদেশ সফর নিশ্চিত করতে আইসিসির সম্পৃক্ততা চায় পিসিবি।
আইসিসি এতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলে, সফরসূচি সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর পারস্পরিক সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হয়।
এনডিটিভি সূত্রের বরাতে আরও জানিয়েছে, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শের জন্য সময় চাওয়ার পর আইসিসি পাকিস্তানকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছে। খুব শিগগিরই আরেক দফা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। আগের সূচিতেই চির প্রতিদ্বন্দী দেশটির বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলবে তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানানোর পরও বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাকিস্তান। তবে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ত্রিপক্ষীয় সভার পর এই সিদ্ধান্ত বদলে ফেলল পাকিস্তান।
নিচে পাকিস্তান সরকারের পূর্ণাঙ্গ বার্তা তুলে ধরা হলো
পিসিবি, আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের আলোচনার সারসংক্ষেপ সম্পর্কে পাকিস্তানের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব শেহবাজ শরিফকে অবহিত করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে পিসিবির নিকট প্রেরিত আনুষ্ঠানিক অনুরোধসমূহ এবং শ্রীলঙ্কা, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি বন্ধুত্বপূর্ণ সদস্য দেশের সমর্থনসূচক বার্তাগুলো পাকিস্তান সরকার গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করেছে। এসব যোগাযোগে সাম্প্রতিক উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সরকার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বক্তব্যও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে প্রকাশিত আন্তরিক অনুভূতি ও কৃতজ্ঞতা অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করা হয়েছে। পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, দুই দেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মানের ভিত্তিতে আরও সুদৃঢ় হবে।
এই প্রেক্ষাপটে আজ সন্ধ্যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি মহামান্য অনুরা কুমারা দিসানায়েকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ এই আলোচনায় উভয় নেতা স্মরণ করেন—পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের নজির স্থাপন করে এসেছে। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি চলমান পরিস্থিতির একটি গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিত সমাধানের লক্ষ্যে গঠনমূলক বিবেচনার আহ্বান জানান।
বহুপাক্ষিক আলোচনায় অগ্রগতি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মতামতের আলোকে, পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল আইসিসি মেনস টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে।
এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের ঐক্যবদ্ধ চেতনা সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রতি পাকিস্তানের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের জনগণ “মেন ইন গ্রিন”-এর প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানাচ্ছেন। আমরা আশাবাদী, আমাদের দল মাঠে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, পেশাদারিত্ব ও জাতীয় মর্যাদার প্রতিনিধিত্ব করবে।

লাহোরে ঝটিকা সফর থেকে জোড়া জয় নিয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আইসিসির পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা মিলেছে কোনো শাস্তি না হওয়ার। একইসঙ্গে একটি বৈশ্বিক আসরও আয়োজনের সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।
নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া ও পরে এর প্রেক্ষিতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানের অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে রোববার লাহোরে হয় আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির ত্রিপক্ষীয় বৈঠক।
যা শেষে বাংলাদেশের জন্য দুটি ইতিবাচক খবর দিয়েছে আইসিসি। আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেই ব্যাপারে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা। নিচে বিজ্ঞপ্তি থেকে হুবহু তুলে ধরা হলো
বিসিবির জন্য কোনো জরিমানা বা শাস্তি নয়
এই বিষয়ে একমত হওয়া গেছে যে, বর্তমান বিষয়ের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না।
একইসঙ্গে এটিও সম্মত হওয়া গেছে যে, বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-র কাছে যাওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। এই অধিকার বর্তমান আইসিসি বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান এবং অক্ষুণ্ন থাকবে।
আইসিসির দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়সংগততার নীতিতে পরিচালিত এবং শাস্তির পরিবর্তে সহায়ক সমর্থন প্রদানের যৌথ উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।
২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন
এই সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০৩১–র আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্তাবলীর সাপেক্ষে হবে।
এটি আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর আস্থার প্রতিফলন এবং দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আইসিসির সদস্যদের মধ্যে অর্থবহ আয়োজক সুযোগ প্রদানের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরালো করে।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন,
“বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক, তবে এটি একটি মূল ক্রিকেট জাতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে কোনোভাবেই পরিবর্তন করে না।”
“বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা ক্রিকেটের বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্রিকেট ইকোসিস্টেম, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, প্রতিযোগিতামূলক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সংযুক্তির যোগ্য- এটি কোনো স্বল্পমেয়াদি ব্যাঘাতে সংজ্ঞায়িত হয় না।”

সাম্প্রতিক জটিলতা সমাধানে আইসিসি ও পিসিবির সঙ্গে বৈঠক করার পর পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলার অনুরোধ করেছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
আইসিসি ও পিসিবির সঙ্গে বৈঠক করতে ঝটিকা লাহোর সফরে যান বুলবুল। এই সফর শেষ করে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশের সাবেক এই অধিনায়ক।
বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। সূচি অনুযায়ী, কলম্বোতে ম্যাচটি হওয়ার কথা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি।
ম্যাচটি ঘিরে অনিশ্চয়তা দূর করতেই মূলত লাহোরে আইসিসি ও পিসিবি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন বুলবুল। বৈঠক শেষে পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিসিবি সভাপতি।
একইসঙ্গে বৃহৎ স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ভারতের বিপক্ষে খেলার অনুরোধও করেন বুলবুল।
“এই সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে পাকিস্তান যে বাড়তি উদ্যোগ ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে, তাতে আমরা গভীরভাবে অভিভূত। আমাদের এই ভ্রাতৃত্ব দীর্ঘস্থায়ী হোক।”
“পাকিস্তানে আমার সংক্ষিপ্ত সফর ও আমাদের আলোচনার সম্ভাব্য ইতিবাচক ফলাফলের প্রেক্ষিতে, আমি পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের স্বার্থে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচটি পাকিস্তানকে খেলার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। সম্ভাব্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে আইসিসির সতর্কবার্তা সত্ত্বেও নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল পিসিবি। তবে গতকাল লাহোরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অচলাবস্থা নিরসনে তিনটি প্রস্তাব তুলে ধরে পিসিবি। চাউর হয়েছে, বরফ গলতে শুরু করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের।
বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তান সরে আসতেও পারে, নাও পারে। তবে ম্যাচ বর্জনের বিষয়টি স্রেফ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন সুনীল গাভাস্কার। ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটারের মতে, পাকিস্তান যদি সত্যিই মনে করে যে, আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করেছে, তাহলে একটি ম্যাচ বর্জন না করে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই তাদের সরে দাঁড়ানো উচিত ছিল।
কলম্বোয় আগামী রোববার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা পাকিস্তানের। গত সপ্তাহে পাকিস্তান সরকার জানায়, ম্যাচটি খেলতে মাঠে নামবে না পাকিস্তান দল।
আজ স্পোর্টস্টারে নিজের কলামে গাভাস্কার লিখেছেন,
“তাদের (পাকিস্তান) সরকার তাদের দলকে টুর্নামেন্টটি খেলতে বলেছে; কিন্তু ভারতের বিপক্ষে নয়। সিদ্ধান্তটি অদ্ভুত। যদি তারা মনে করে যে, আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করেছে, তাহলে পুরো টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত ছিল তাদের, শুধু ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জন নয়।”