৬ অক্টোবর ২০২৪, ১১:৫৮ পিএম

টি-টিয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার প্লে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ, ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগেই। ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে প্রথম ছয় ওভারেই খেই হারিয়ে ফেলে, যেখান থেকে বের হওয়া আর সম্ভব হয়নি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও মানছেন, সর্বনাশ হয়েছে পাওয়ার প্লেতেই।
বাংলাদেশের শুরুটা ছিল ভালোই। আর্শদ্বীপ সিংকে চার মেরে রানের খাতা খুললেও প্রথম ওভারেই আউট হন অভিজ্ঞ লিটন দাস। বাংলাদেশের চাপ বাড়িয়ে এরপর ছয় ওভারের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন আরেক ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৩৯। বিপরীতে রান তাড়ায় ছয় ওভারে ভারত করে ৭১ রান। দুই দলের পার্থক্য এখানেই ম্যাচে।
ম্যাচের পর শান্ত বলেছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাট করতে পারেনি তার দল। “আমার মনে হয় আমাদের শুরুটা ভালো হয়নি। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ছয় ওভার খুব গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আমরা সেখানে ভালো করতে পারিনি। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা। মনে হচ্ছিল আমাদের খুব বেশি পরিকল্পনা ছিল না, কিন্তু পরের ম্যাচে আমাদের সঠিক পরিকল্পনা করতে হবে।”
পাওয়ার প্লেতে ধীরগতির ব্যাটিং করা বাংলাদেশ পুরো ইনিংসেই বজায় রাখে একই ধারা। ১০৮ স্ট্রাইক রেটে ১ চার ও ১ ছক্কায় ২৭ রান করেন শান্ত। আর সর্বোচ্চ ৩৫ করা মেহেদি হাসান মিরাজ বল খেলেন ৩২টি। অতিরিক্ত ডট বলের কারণে রান বের করার জন্য বড় শটের বিকল্প ছিল না। আর তা করতে গিয়েই হয় বিপত্তি। মাত্র ১২৭ রানেই শেষ হয় ইনিংস, যা ভারত পাড়ি দেয় দ্বাদশ ওভারেই।
শান্ত তাই ব্যাটারদের তাগিদ দিয়েছেন ডট বল কম খেলে রানের চাকা সচল রাখার। “আমাদের স্ট্রাইক রোটেটিংয়ে মনোযোগ দিতে হবে, টি-টোয়েন্টি শুধু মেরে খেলার বিষয় নয়। হাতে উইকেট থাকলে আমরা ভালো স্কোর করতে পারি। আমরা খুব বেশি রান করতে পারিনি। রিশাদ ভালো বোলিং করেছে এবং ফিজও ভালো ছিল, কিন্তু আমাদের বোর্ডে যথেষ্ট রান ছিল না।”
No posts available.
১৭ মার্চ ২০২৬, ৭:০৫ পিএম
১৭ মার্চ ২০২৬, ২:২৭ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল অংশ না নেওয়ার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি জানিয়েছেন, ক্রীড়া কূটনীতির ঘাটতিসহ সামগ্রিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
আজ সংবাদমাধ্যমকে আমিনুল বলেন,
'আমরা কেন বিশ্বকাপ ক্রিকেট খেলতে গেলাম না, এই বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমরা কিছুদিন আগে দেখেছি যে বিশ্বকাপ হয়েছে, কিন্তু আমাদের ক্রীড়া কূটনীতির অভাবে আমরা সেই বিশ্বকাপটি খেলতে যেতে পারিনি। কিন্তু কেন এটি হয়েছে সেটিও আসলে তদন্ত করে দেখার বিষয় রয়েছে।'
তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়ে আমিনুল বলেন,
'আমি আশা করি, এই বিষয়গুলো নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে কেন আমরা বিশ্বকাপ খেলতে গেলাম না, কোথায় সমস্যা ছিল বা কেন ক্রীড়া কূটনীতির অভাব ছিল—এসব বিষয় প্রতিবেদন আকারে ক্রিকেট বোর্ড ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানতে চাইব।'
আমিনুল জানান, ইতিমধ্যে ক্রিকেট-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ‘কোয়াবের’ একটি প্রতিনিধিদল তাঁর সঙ্গে দেখা করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন,
'মিঠুনের (মোহাম্মদ মিঠুন) নেতৃত্বে একটি ক্রিকেট টিম আমার কাছে এসেছিল। আমি তাঁদের কথা শুনেছি এবং আশ্বস্ত করেছি রমজানের পর, ঈদের পরে আমরা বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।'
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন নিয়েও তদন্তের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন,
'অভিযোগটি যেহেতু নির্বাচনের আগে, আমি নিজেও বলেছি যে বিগত সরকারের সময়ে ক্রিকেট বোর্ডে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এটি নতুন কিছু নয়, সবাই জানেন।'
আমিনুল বলেন,
'কাদা ছোড়াছুড়ি না করে আমরা তদন্ত প্রতিবেদনে যা উঠে আসবে সেটির ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেব। তদন্ত কমিটি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলবে, বর্তমান ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবে, অভিযোগকারীদের সঙ্গেও কথা বলবে।'
বিভিন্ন জেলার প্রশাসকদের (ডিসি) ভূমিকাও তদন্তের আওতায় আসবে বলে জানান আমিনুল। তাঁর ভাষ্য,
'বিগত নির্বাচনে ডিসিরা প্রথমে কাউন্সিলর পাঠিয়েছিলেন, পরে আবার দ্বিতীয়বার কাউন্সিলর পাঠানোর ঘটনাও ঘটেছে—এটি একটি দৃশ্যমান বিষয়। তাই এসব বিষয় খতিয়ে দেখা জরুরি।'
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বললেন তিনি,
'আমরা তদন্ত প্রতিবেদন দেখব, তারপর আইসিসির সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। কোনো নিষেধাজ্ঞার বিষয় থাকলে সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে।'

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ বিমান হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে। নৃশংসতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন রশিদ খান, মোহাম্মদ নবী ও ইব্রাহিম জাদরানের মতো আফগান তারকা ক্রিকেটাররা।
তালেবান প্রশাসনের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত নিশ্চিত করেছেন, গতকাল রাত ৯টার দিকে ২,০০০ শয্যা বিশিষ্ট ওমর অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে (মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্র) এই হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ২৫০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
ভয়াবহ এই হামলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রশিদ খান, মোহাম্মদ নবীরা। আফগান ক্রিকেটের পোস্টার বয় রশিদ খান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, ‘কাবুলে বেসামরিক নাগরিক হতাহতের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। ইচ্ছাকৃত বা ভুলবশত বেসামরিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা চালানো একটি যুদ্ধাপরাধ। পবিত্র রমজান মাসে মানুষের জীবনের প্রতি এমন অবজ্ঞা অত্যন্ত অসুস্থ মানসিকতার পরিচয়। আমি জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে এই নৃশংসতার তদন্ত করে দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানাই।‘
অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী হতাহতদের একটি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘আজ রাতে কাবুলের একটি হাসপাতালে আশার আলো নিভে গেছে। চিকিৎসা নিতে আসা তরুণদের হত্যা করেছে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা। রমজানের ২৮তম রাতে মারা যাওয়ার আগে মায়েরা হাসপাতালের গেটে তাদের সন্তানদের নাম ধরে ডাকছিলেন। এটি মেনে নেওয়া যায় না।‘
আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক ইব্রাহিম জাদরান বলেন, ‘কাবুলে আজ রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। একটু পরেই দেখলাম হাসপাতাল থেকে আগুনের শিখা আকাশে উঠছে। যারা কাল রোজা রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তারা আজ নেই অথবা আহত। কাবুল আজ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। আমরা বিচার চাই।‘
পাকিস্তান অবশ্য এই হামলার দাবিকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের ভাষ্য, সোমবার রাতে তারা সুনির্দিষ্টভাবে সামরিক স্থাপনা ও সন্ত্রাসী সহায়তা অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

আবরার আহমেদকে দলে ভেড়ানোয় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় থামছেই না। এবার তালিকায় যুক্ত হলেন ভারতের সাবেক কিংবদন্তী ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার। দ্য হান্ড্রেডে সানরাইজার্স লিডস পাকিস্তানি ক্রিকেটার আবরারের জন্য ১ লাখ ৯০ হাজার পাউন্ড খরচ করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার ঝড় উঠেছে। দলটি একই গ্রুপের আওতায় রয়েছে যা আইপিএল দল সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের নিয়ন্ত্রণ করে।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক গাভাস্কার মিড-ডে পত্রিকায় প্রকাশিত কলামে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'যে ফি পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে দেওয়া হয়, সেই খেলোয়াড় পরে নিজের সরকারের কাছে আয়কর প্রদান করে, যা যুদ্ধাস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে ভারতীয় সৈন্য ও সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুর সঙ্গে অনোদ্দিষ্টভাবে সংযুক্ত হয়।' তিনি আরও যোগ করেছেন, 'চাই তা ভারতীয় সংস্থা হোক বা বিদেশী শাখা, যদি মালিক ভারতীয় হয়, তবে তিনি ভারতীয় ক্ষয়ক্ষতির অংশীদার।'
আরও পড়ুন
| ফুটবলকে বিদায় সেই আর্জেন্টাইন প্রাচীরের |
|
দ্য হান্ড্রেডে আরো তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি—এমআই লন্ডন, ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস এবং সাউদার্ন ব্রেভ—আংশিকভাবে আইপিএল দলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে। আরেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার উসমান তারিককে নিলামে দলে ভিড়িয়েছে আমেরিকান-সমর্থিত বার্মিংহাম ফিনিক্স।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড গত মাসে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে এই প্রতিযোগিতার আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি শুধুমাত্র পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে খেলোয়াড় নির্বাচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গাভাস্কার শেষ করেছেন, 'ভুল সংশোধনের জন্য এখনও সময় আছে। আশা করি বিচক্ষণ পরামর্শদাতারা প্রাধান্য পাবেন।'

নিউ জিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি সিরিজে বড় ধাক্কা দিয়েছে চোট। চোটে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি থেকে ছিটকে গেছেন কিউই ব্যাটার বেভন জ্যাকবস। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার জর্ডান হারম্যান।
মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ফিল্ডিং করার সময় বাঁ হাঁটুতে চোট পান ২৩ বছর বয়সী বেভন জ্যাকবস। স্ক্যান রিপোর্টে হাঁটুতে হাড়ের ক্ষত ধরা পড়ায় তাকে বিশ্রামে পাঠিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। তাঁর বদলি হিসেবে দলে ডাক পেয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ২৬ বছর বয়সী ক্যাটিন ক্লার্ক।
অভিষেক ম্যাচেই চোটের কবলে পড়ে সিরিজ শেষ দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার হারম্যানের। গত রোববার প্রথম ম্যাচে ফিল্ডিং করার সময় ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি। স্ক্যান রিপোর্টে গ্রেড-২ টিয়ার ধরা পড়েছে। তবে হারম্যানের বদলি হিসেবে এখন পর্যন্ত কারো নাম ঘোষণা করেনি দক্ষিণ আফ্রিকা।
পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে আজ ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া নিউ জিল্যান্ড। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সোয়া ১২ টায়।

ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। তরুণদের সুযোগ দেওয়ার সঙ্গে অভিজ্ঞদের বাদ দেওয়া নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা। এরমধ্যে দলটির সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার বাবর আজমকে নিয়েই চলছে বেশি কানাঘুষা। পাকিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারের ছন্দহীনতার পর দল থেকে বাদ পড়া এই আলোচনা আরও উসকে দিয়েছে।
শিগগিরই পাকিস্তানের ওয়ানডে দলে বাবর আজম না ফিরলে ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন আসতে পারে। দীর্ঘ সময় দলটির ব্যাটিং অর্ডারে তিন নম্বর পজিশনে ভরসার প্রতীক হয়ে থাকা ৩১ বছর বয়সী ব্যাটারের বিকল্প কে হতে পারে সেটা নিয়েও চলছে বিশ্লেষণ।
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ বাবর আজমের জায়গায় দুই সম্ভাব্য বিকল্পের নাম প্রস্তাব করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তান ২–১ ব্যবধানে হেরেছে। এরমধ্যে বাবরের অনুপস্থিতি দলের মিডল অর্ডারের স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা উসকে দিয়েছে। এই বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তানের ম্যানেজমেন্টকে আইসিসির পরবর্তী টুর্নামেন্টের আগে বিকল্প পথগুলো খুঁজে দেখার পরামর্শ দেন হাফিজ।
সামাজিক মাধ্যমে মোহাম্মদ হাফিজ বলেন, যদি বাবর আজম চোট, বিশ্রাম বা ছন্দহীনতার কারণে অনুপস্থিত থাকেন, তবে শান মাসুদ ও আব্দুল্লাহ শফিককে সুযোগ দেওয়া উচিত। তাঁর মতে শান মাসুদ ও আব্দুল্লাহ শফিক দুইজনই ওয়ানডেতে ৩ নম্বর পজিশনের চাপ সামলাতে সক্ষম।
হাফিজের মতে, পাকিস্তানকে ব্যাটিং কম্বিনেশন নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা করতে হবে, বিশেষ করে আসন্ন ২০২৭ বিশ্বকাপের দিকে লক্ষ্য রেখে, যা দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হবে। এক্স-এ দেওয়া পোস্টে হাফিজ লিখেছেন,
‘শান মাসুদ (লিস্ট-এ গড়ে ৫৩) বা আব্দুল্লাহ শফিক নং ৩ ব্যাটসম্যান হিসেবে ভালো বিকল্প হতে পারেন, যদি বাবর আজম চোটের কারণে বা বিশ্রামের জন্য অনুপস্থিত থাকেন। আগামী বিশ্বকাপকে সামনে রেখে।’
দীর্ঘদিন ধরে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে পাকিস্তানের সেরা ব্যাটার হিসেবে বিবেচিত বাবরের সাম্প্রতিক ওয়ানডে পারফরম্যান্সে সমর্থক এবং বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। একসময় বিশ্বের সেরা ওয়ানডে ব্যাটারের তকমা পাওয়া ডানহাতি ব্যাটার ক্যারিয়ারের আগের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারছেন না।
সবশেষ গত বছরের নভেম্বরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে মাঠ নেমেছিলেন বাবর। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওই সিরিজে সেঞ্চুরি করেছিলেন বাবর। তবুও এই সংস্করণে তাঁর সামগ্রিক পারফরম্যান্স প্রত্যাশার নিচে। শেষ ৩০টি ওয়ানডে ইনিংসে বাবরের গড় রান ৩৫ এবং স্ট্রাইক রেট ৭৮.৫৫—যা তাঁর চমৎকার ক্যারিয়ার গড় ৫৩.৭৩-এর তুলনায় অনেক কম। আর এই পরিসংখ্যানই নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, পাকিস্তান কি ব্যাটিং অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া উচিত কি না।