
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খাওয়া বাংলাদেশকে মাঠে নামতে হচ্ছে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। দারুণ ফর্মে থাকা এই বাঁহাতি ব্যাটার কুঁচকির চোটে ছিটকে গেছেন এই ম্যাচ থেকে। তার জায়গায় নিজের শততম ওয়ানডে ম্যাচে অধিনায়কত্ব করবেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৭৭ রান করা শান্তরা জায়গায় দলে এসেছে টপ অর্ডার ব্যাটার জাকির হাসান। একাদশে পরিবর্তন এসেছে আরেকটি। পেসার তাসকিন আহমেদের জায়গায় এই ম্যাচ খেলবেন নাহিদ রানা। আগেই টেস্ট অভিষেক হয়ে যাওয়া এই তরুণ পেসারের এবার হচ্ছে সাদা বলের অভিষেক।
আরও পড়ুন
| ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকেও ছিটকে গেলেন শান্ত |
|
তিন ম্যাচের সিরিজে সমতা ১-১। তৃতীয় ম্যাচটি সরাসরি দেখতে চোখ রাখুন টি-স্পোর্টস নেটওয়ার্কে।
বাংলাদেশ একাদশ :
মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, জাকির হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলি অনিক,, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
No posts available.
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ এম

অপেক্ষা ছিল একটিমাত্র উইকেটের। কিন্তু প্রথম তিন ওভারে সেই সাফল্য পাননি রশিদ খান। অবশেষে নিজের শেষ ওভার করতে এসে তৃতীয় বলে পেলেন সাফল্যের স্বাদ। একইসঙ্গে তিনি উঠে গেলেন ৭০০ উইকেটের চূড়ায়।
ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রশিদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সোমবার দুপুরের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত এই উচ্চতায় পা রাখেন আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার।
আমিরাতের ইনিংসের ১৬তম ওভারে কোটার শেষ ওভার করতে আসেন রশিদ। তার মিডল স্টাম্পে করা ডেলিভারিতে রিভার্স সুইপের চেষ্টায় ঠিকঠাক খেলতে পারেননি মোহাম্মদ আরফান। উল্টো ফলো থ্রুতে নিজের স্টাম্প এলোমেলো করে দেন ৩২ বছর বয়সী ব্যাটার।
আরও পড়ুন
| লেভানডফস্কি গন্তব্য নিয়ে নতুন তথ্য |
|
দীর্ঘ ৫১৮ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো ব্যাটারকে 'হিট উইকেট' করলেন রশিদ। আর সেটিই হয়ে থাকলে তার ৭০০তম উইকেট। ৫১৩ ইনিংসে এই ৭০০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। রশিদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ১৭ রানে ৬ উইকেট।
এই ৭০০ উইকেট নেওয়ার পথে ৪৮৪ জন ডানহাতি ব্যাটারকে আউট করেছেন রশিদ। আর বাকি ২১৬ জন ব্যাটার বাঁহাতি। সবচেয়ে বেশি ২৭৭ বার ক্যাচ আউট করেছেন তিনি। আর তার বলে ব্যাটাররা বোল্ড হয়েছেন ২২৫ বার।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সহসাই কারও পক্ষে ৭০০ উইকেট নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। ছয়শর বেশি উইকেট আছে শুধু ডোয়াইন ব্রাভো (৬৩১) ও সুনিল নারিনের (৬১৩)। এরই মধ্যে অবসর নিয়েছে ব্রাভো। নারিনের সামনে সুযোগ আছে ৭০০ উইকেট নেওয়ার।

ভারতের বিপক্ষে বিব্রতকর হারের পর সিনিয়র ক্রিকেটারদের ধুয়ে দিচ্ছেন পাকিস্তানের বেশিরভাগ সাবেক তারকা। তবে ভিন্ন পথে হাঁটছেন শোয়েব আখতার। তার সমালোচনার তীর ছুটেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির দিকে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পিসিবি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানান কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছে নাকভি। গত বছরের এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ট্রফি কাণ্ড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে নানান আলোচনা হয় তাকে নিয়ে।
এছাড়া চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা ও না খেলার দোলাচালেও বড় অংশ জুড়ে ছিলেন নাকভি। শেষ পর্যন্ত সরকারের সবুজ সংকেট নিয়ে ম্যাচটি খেলেছে পাকিস্তান। আর আরও অনেক ম্যাচের মতো ভারতের কাছে হেরে গেছে তারা।
৬১ রানের বড় পরাজয়ের পর সামনে আসছে ম্যাচের আগে নাকভির বিশেষ সভার খবর। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ম্যাচের আগের রাত ১০টায় ক্রিকেটারদের নিয়ে বৈঠক করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান। যা এখন সমালোচনার কেন্দ্রে।
আরও পড়ুন
| নিজের জামাতাকে বাদ দিতে বললেন আফ্রিদি |
|
এছাড়া ম্যাচে ১৭৬ রানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ৬ উইকেট পড়ার পরই নাকি মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছেন নাকভি, এমন খবরও চাউর হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যমে। এসবের মাঝেই এবার শোয়েব আখতারের তোপের মুখেও পড়েছেন নাকভি।
ভারতীয় টেলিভিশন এবিপির ম্যাচ পরবর্তী আলোচনা অনুষ্ঠানে নাকভিকে ধুয়ে দেন পাকিস্তানের সাবেক এই গতিতারকা।
“আমাকে যদি আপনাদের চ্যানেল চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়, বা চ্যানেলের চেয়ারম্যান বানানো হয়... একটা চ্যানেল কীভাবে চালাতে হয়, আমি এসবের কী জানি! এরকমই একজন লোক, যে কিছুই বোঝে না (ক্রিকেটের), সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে গেছে, সে কী করতে পারে? দল কীভাবে চলবে…!”
“দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় অপরাধ কোনটি, জানেন? সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো একজন অদক্ষ ব্যক্তিকে যখন বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়। আপনি যখন কোনো অদক্ষ ও অজ্ঞ ব্যক্তিকে বড় দায়িত্ব দেবেন, সে দেশ ধ্বংস করে দেবে। যে কোনো কিছু ধ্বংস করে দেবে। উদাহরণ তো আপনার সামনেই আছে, আপনি বিচক্ষণ…।”
গত বছরের এশিয়া কাপের পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, ভারতের বিপক্ষে এখন আর কোনো তুলনা হয় না পাকিস্তানের। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথও এখন আর বাকি নেই। সেই কথায় এবার সুর মেলালেন শোয়েব।
তবে বরারের মতো পাকিস্তানকে সমর্থন দিতে ভুলবেন না রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।
আরও পড়ুন
| ‘বাবর-আফ্রিদি-শাদাবের সময় শেষ’ |
|
“ভারতের ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেছে, আমরা অনেক পেছনেই রয়ে গেছি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলতে তো কিছু নেই। এখন তো স্রেফ টিআরপির (টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট) ব্যাপার রয়ে গেছে। টিআরপি বিক্রি করো, ব্যস! মাঠে তো লড়াই কিছুই নেই।”
“আশা করি, নামিবিয়ার সঙ্গে জিতবে, সুপার এইটে উঠবে এবং এরপর অলৌকিক কোনো কিছু হবে… আমি তো পাকিস্তানের পাশে রয়ে যাব, সমর্থন করা তো ছাড়ব না।”
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন মাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান। বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে তাদের সুপার এইট খেলার ভাগ্য।

ভারতের কাছে পরাজয় কোনোভাবেই মানতে পারছেন না পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটাররা। তাই তো প্রত্যাশামাফিক পারফর্ম করতে না পারায় নিজের জামাতা শাহিন শাহ আফ্রিদিকেও দল থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলছেন শহিদ আফ্রিদি।
সাবেক এই অধিনায়কের তোপ থেকে অবশ্য মুক্তি পাননি পাকিস্তানের অন্য দুই সিনিয়র ক্রিকেটার বাবর আজম ও শাদাব খানও। আফ্রিদির মতে, এই তিনজনকে বাদ দিয়ে সামনের ম্যাচে তরুণ ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়া উচিত।
কলম্বোতে রোববার চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ইশান কিষানের ৪০ বলে ৭৭ রানের সৌজন্যে ১৭৫ রানের পুঁজি পায় ভারত। জবাবে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের পরাজয়।
ম্যাচে নতুন বলে প্রথম আক্রমণে এসে দ্বিতীয় ওভারে ১৫ রান দেন শাহিন আফ্রিদি। এরপর আর ১৭ ওভার তাকে বোলিং করাননি সালমান আলি আগা। আবার শেষ ওভারে আক্রমণে এসে তিনি খরচ করেন আরও ১৬ রান।
আরও পড়ুন
| ‘বাবর-আফ্রিদি-শাদাবের সময় শেষ’ |
|
সব মিলিয়ে দুই ওভারে ৩১ রান দিয়ে পাকিস্তানের খরুচে বোলারদের একজন ছিলেন বাঁহাতি পেসার। একই দশা লেগ স্পিনার শাদাব খানের। স্পিন সহায়ক কন্ডিশন ও উইকেটে এক ওভারে তিনি দেন ১৭ রান। তাই তাকে আর বোলিংই দেননি সালমান।
ব্যাট হাতে হতাশ করেন বাবর আজম। চাপের মুখে তার কাছ থেকে যখন প্রত্যাশা ছিল দায়িত্বশীল এক ইনিংসের, সেখানে তিনি আকসার প্যাটেলের বলে তেড়েফুঁড়ে মারতে গিয়ে বোল্ড হন মাত্র ৫ রান করে। এই তিন তারকার ওপর তাই ক্ষুদ্ধ শহিদ আফ্রিদি।
ম্যাচ শেষে পাকিস্তানি সামা টিভির অনুষ্ঠানে শাহিন, বাবর ও শাদাবকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন তিনি।
“আমি যদি সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় থাকতাম, শাহিন (শাহ আফ্রিদি), বাবর (আজম) ও শাদাবকে (খান) বাদ দিয়ে দিতাম। নামিবিয়ার বিপক্ষে আমি নতুন ও তরুণদের সুযোগ দিতাম। তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আনার সুযোগ দিতাম।”
“বছরের পর বছর এই সিনিয়র ক্রিকেটাররা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক নিচে পারফর্ম করছে। তারা অনেক দিন ধরে আমাদের ব্যর্থতায় ঠেলে দিচ্ছে। যখনই ভালো কিছু আশা করি, সিনিয়ররা হতাশ করে। তারা যদি পারফর্ম না-ই করতে পারে, জুনিয়রদের সুযোগ দিন। এতে ক্ষতি নেই।”

চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হারের পর তোপের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের তিন তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খান। দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের মতে, অবসর নেওয়া উচিত এই তিনজনের।
কলম্বোতে রোববার সন্ধ্যার ম্যাচে ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ১৭৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় ২০০৯ সালের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। এ নিয়ে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচের ৮টিই হারল তারা।
ম্যাচে একদমই ভালো করতে পারেননি বাবর, আফ্রিদি, শাদাবরা। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন আফ্রিদি ও শাদাব।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়াকে খাঁদে ফেলে দিতে ‘চমক’ নিয়ে অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা |
|
নতুন বলে এক ওভার ও পরে শেষে আরেক ওভার বল করার সুযোগ পান আফ্রিদি। ইনিংসের শেষ বলে একটি উইকেট পেলেও দুই ওভারে ৩১ রান দেন বাঁহাতি পেসার। আর নিজের একমাত্র ওভারে ১৭ রান দেন লেগ স্পিনার শাদাব।
পরে ব্যাট হাতেও কিছু করতে পারেননি শাদাব। ছয় নম্বরে নেমে ১৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি। আফ্রিদি অবশ্য ব্যাট হাতে খেলেন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রানের ইনিংস। তবে এতে দলের বিশেষ কোনো ফায়দা হয়নি।
আফ্রিদি ও শাদাবের মতোই বাবরের ব্যাট থেকেও ভালো কিছু আসেনি। চার নম্বরে নেমে ৭ বলে ৫ রান করে বাজে শট করে বোল্ড হন সাবেক এই অধিনায়ক। সব মিলিয়ে তাদের তিন জনের ওপর যেন বিরক্ত ইউসুফ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের ক্ষোভ ঝেড়ে দেন কিংবদন্তি এই ব্যাটার।
“শাহিন (শাহ আফ্রিদি), বাবর (আজম) ও শাদাবের (খান) সময় শেষ। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নতুন পারফর্মার প্রয়োজন। দুর্বল দলের বিপক্ষে অর্থহীন জয়ের মানে নেই।”
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন মাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান। বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে তাদের সুপার এইট খেলার ভাগ্য।

জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কোণঠাসা অবস্থায় অস্ট্রেলিয়া। ঘুরে দাঁড়িয়ে সুপার এইট খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে তাদের সামনে এখন জয়ের বিকল্প নেই। আর সেই সম্ভাবনা গুঁড়িয়ে দিতে চমক নিয়ে তাদের অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা।
ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার মতো একজন বিশ্বমানের লেগ স্পিনারের অভাব পূরণ করা যে কতটা কঠিন- তা নতুন করে বলার কিছু নেই। সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ এখন দুশান হেমান্থের কাঁধে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে তাই আলোচনার কেন্দ্রে এই লেগ স্পিনার।
দীর্ঘদিন ধরেই শ্রীলঙ্কার বোলিং আক্রমণের অবিচ্ছেদ্য অংশ হাসারাঙ্গা। বিশ্বের সেরা ব্যাটাররাও তাকে সমীহ করে খেলেন। চোটের কারণে সেই হাসারাঙ্গা না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তার জায়গাটা বেশ বড়।
আরও পড়ুন
| ভারতের কাছে পাত্তাই পেল না পাকিস্তান |
|
তবে শ্রীলঙ্কার টিম ম্যানেজমেন্ট বলছে, হাসারাঙ্গার বদলি হিসেবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ডাক পেয়ে বেশ পরিণতভাবেই চাপ সামলাচ্ছেন হেমান্থ।
সোমবার অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে শ্রীলঙ্কার ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধর জানিয়েছেন, প্রত্যাশার ভারটা বুঝতে পারছেন হেমান্থ।
“হাসারাঙ্গার জায়গা পূরণ করা মোটেও সহজ নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও হেমান্থ যেভাবে সাড়া দিয়েছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট।”
পাল্লেকেলেতে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়া। পূর্ণ ৪ পয়েন্ট নিয়ে 'বি' গ্রুপে এখন পর্যন্ত শীর্ষে শ্রীলঙ্কা। আর জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে বসা অস্ট্রেলিয়া ২ পয়েন্ট নিয়ে আছে তিন নম্বরে।
লঙ্কানদের বিপক্ষে হারলে তাই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যাবে অস্ট্রেলিয়া। তাদের সামনে দাঁড়াবে বেশ কঠিন সমীকরণ। তাই সুপার এইটে ওঠার জন্য জয়ের বিকল্প নেই অজিদের। আর সেটিই হতে দিতে চায় না লঙ্কানরা।
হেমান্থকে নিয়ে শ্রীলঙ্কা শিবিরের বড় ভরসার জায়গা তার ‘সারপ্রাইজ ফ্যাক্টর’। কারণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে খুব বেশি ব্যাটার এখনও পড়ে ফেলতে পারেনি।
“ওর কাছে দারুণ কিছু ভ্যারিয়েশন আছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হয়তো সেগুলোর কিছু দেখা যাবে। অস্ট্রেলিয়ার কয়েকজন ব্যাটারকে ও বোকা বানিয়ে দিতে পারে।”
আরও পড়ুন
| এশিয়া কাপ ২০২৫ : ভারতের কাছে পাত্তাই পেল না পাকিস্তান |
|
তবে বিশ্বকাপে হেমন্থার প্রথম ম্যাচটা ছিল কিছুটা হতাশাজনক। ওমানের বিপক্ষে চার ওভারে তিনি দেন ৪৫ রান, নেন মাত্র একটি উইকেট। বড় মঞ্চের স্নায়ুচাপ যে কাউকেই কাবু করতে পারে, সেটা স্বীকার করতে দ্বিধা নেই শ্রীধরের।
“বিশ্বকাপে খেলতে নামলে নার্ভাস থাকা একেবারে স্বাভাবিক। আমরা সবাই নার্ভাস হই, সেও হয়েছিল। এটা মানবিক। কিন্তু এরপর যেভাবে সে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, তাতে বোঝা যায়- সে সত্যিই একজন দারুণ বোলার।”