বিশ্বকাপ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজিত উইমেন'স চ্যালেঞ্জ লিগের শেষ ম্যাচেও হলো না বড় রান। তবে ব্যক্তিগতভাবে রানের দেখা পেলেন শারমিন সুলতানা ও স্বর্ণা আক্তার। দুজনই খেললেন পঞ্চাশছোঁয়া ইনিংস।
বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে বৃহস্পতিবার টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে বিসিবি লাল দলকে ২ উইকেটে হারায় বিসিবি সবুজ দল। আগে ব্যাট করে ১৩ বল বাকি থাকতে ১৫৫ রানে গুটিয়ে যায় শারমিনের লাল দল। জবাবে ৯ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় স্বর্ণার লাল দল।
চার ম্যাচে এটিই লাল দলের একমাত্র জয়। সবুজ দলও জিতেছে একটি মাত্র ম্যাচ। টুর্নামেন্টের তৃতীয় দল ছিল ছেলেদের অনূর্ধ্-১৫ জাতীয় দল। তারা চার ম্যাচের সবকটি জিতে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
আরও পড়ুন
চ্যালেঞ্জ লিগে সাবেক ইপিএল ফুটবলারের বিপক্ষে খেলতে হবে সাদ-তপুদের |
![]() |
শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে লাল দলকে একাই টেনে নেন শারমিন। তার উদ্বোধনী সঙ্গী ইশমা তানজিম ৩২ বলে ১৭ রান করে আউট হন।
এরপর হতাশ করেন সুমাইয়া আক্তার (৯), নিগার সুলতানা জ্যোতি (৯), রিতু মনি (৬), মিষ্টি রানি (৯), ফাহিমা খাতুনরা (০)। ফলে বেশি বড় হয়নি লাল দলের সংগ্রহ।
নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন শারমিন। ১২১ বলে ৪ চারে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। চার ম্যাচে ১২৬ রান নিয়ে তিনিই আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
সবুজ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন স্বর্ণা। ফারিহা তৃষ্ণার শিকার ২ উইকেট।
আরও পড়ুন
ফাতেমা মুজিবকে ছাড়াই শুরু জুলাই রেভুলেশন চ্যাম্পিয়নশিপ |
![]() |
রান তাড়ায়ও অগ্রণী ভূমিকা রাখেন স্বর্ণা। ৮ চারের সঙ্গে ১ ছক্কায় ৫৬ বলে ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তরুণ অলরাউন্ডার। শেষ দিকে আফিয়া আসিমা ইরা ২৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান।
এছাড়া সোবহানা মোস্তারি ১৪ ও ফারজানা হক পিঙ্কি ১৩ রান করেন।
লাল দলের হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন ফাহিমা ও বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া জান্নাতুল ফেরদৌস সুমনা।
উইমেন'স চ্যালেঞ্জ লিগ শেষে এখন সপ্তাহখানেকের বিশ্রামে থাকবেন নারী ক্রিকেটাররা। এরপর সিলেটে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি ক্যাম্প শুরু করবেন তারা।
প্রথম ওভারের মতো নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেও উইকেট নিলেন তাসকিন আহমেদ। এবার তিনি ফিরিয়ে দিলেন আরেক ওপেনার বিক্রমজিত সিংকে।
অফ স্টাম্পের বাইরের বল বড় শট খেলার চেষ্টায় লং অনে পারভেজ হোসেন ইমনের ধরা পড়েছেন বিক্রমজিত। টেস্ট মেজাজের ব্যাটিংয়ে ১১ বলে মাত্র ৪ রান করেছেন বাঁহাতি ওপেনার।
ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান নেদারল্যান্ডস অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। তিন নম্বরে নামা তেজা নিদামানুরু ১৭ বলে ১০ রানে অপরাজিত।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭.১ ওভারে নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ ২ উইকেটে মাত্র ৩৮ রান।
আরও পড়ুন
প্রথম বলেই তাসকিনের আঘাত |
![]() |
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে শেখ মেহেদি হাসানের বোলিংয়ে ৩ রানের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের ওপর ঝড় তোলেন ও'ডাউড। দারুণ ব্যাটিংয়ে তিনটি চার মারেন ডাচ ওপেনার।
মেহেদির পরের ওভারে ম্যাচের প্রথম ছক্কা মেরে দেন ও'ডাউড। অভিজ্ঞ ওপেনারের সৌজন্যে ভালো শুরুর আশা দেখতে শুরু করে সফরকারীরা।
তবে ও'ডাউডকে টিকতে দেননি তাসকিন আহমেদ। চতুর্থ ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই তাকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠান অভিজ্ঞ পেসার।
তার স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি অন সাইডে খেলার চেষ্টায় লিডিং এজ হয় ও'ডাউডের। শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ নেন জাকের আলি অনিক। উল্লাসে ফেটে পড়েন তাসকিন।
৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২৩ রান করে ফেরেন ও'ডাউড।
আরও পড়ুন
পাওয়ার প্লেতে দুর্দান্ত বাংলাদেশ |
![]() |
পঞ্চম ওভারে আবার আক্রমণে আসেন শরিফুল। আগের ওভারে ১৩ রান খরচ করা তরুণ পেসার ঘুরে দাঁড়ান দারুণভাবে। এবার কোনো রানই দেননি তিনি। করেন মেডেন ওভার।
পরে পাওয়ার শেষ ওভারে উইকেটের সম্ভাবনা জাগান মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু কাভারে অল্পের জন্য ক্যাচ নাগাল পাননি তাওহিদ হৃদয়। তাই বেঁচে যান তেজা নিদামানুরু।
প্রথম ৩ ওভারে ২৫ রান করে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস। সেখান থেকে পরের ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করেছে বাংলাদেশ।
পরে অষ্টম ওভারে বিক্রমজিতকে ফিরিয়ে আবার আনন্দে ভাসেন তাসকিন।
পাওয়ার প্লেতে নেদারল্যান্ডসকে চেপে ধরেছে বাংলাদেশ। প্রথম ছয় ওভারে সফরকারীদের সংগ্রহ মাত্র ৩৪ রান, হারিয়েছে ১ উইকেট।
প্রথম ৩ ওভারে ২৫ রান করে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস। সেখান থেকে পরের ৩ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করেছে বাংলাদেশ।
বিক্রমজিত সিং ৯ বলে ৩ ও তেজা নিদামানুরু ১২ বলে ৭ রানে অপরাজিত।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে শেখ মেহেদি হাসানের বোলিংয়ে ৩ রানের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের ওপর ঝড় তোলেন ও'ডাউড। দারুণ ব্যাটিংয়ে তিনটি চার মারেন ডাচ ওপেনার।
মেহেদির পরের ওভারে ম্যাচের প্রথম ছক্কা মেরে দেন ও'ডাউড। অভিজ্ঞ ওপেনারের সৌজন্যে ভালো শুরুর আশা দেখতে শুরু করে সফরকারীরা।
আরও পড়ুন
প্রথম বলেই তাসকিনের আঘাত |
![]() |
তবে ও'ডাউডকে টিকতে দেননি তাসকিন আহমেদ। চতুর্থ ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম বলেই তাকে ড্রেসিং রুমে ফেরত পাঠান অভিজ্ঞ পেসার।
তার স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি অন সাইডে খেলার চেষ্টায় লিডিং এজ হয় ও'ডাউডের। শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ নেন জাকের আলি অনিক। উল্লাসে ফেটে পড়েন তাসকিন।
৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২৩ রান করে ফেরেন ও'ডাউড।
পঞ্চম ওভারে আবার আক্রমণে আসেন শরিফুল। আগের ওভারে ১৩ রান খরচ করা তরুণ পেসার ঘুরে দাঁড়ান দারুণভাবে। এবার কোনো রানই দেননি তিনি। করেন মেডেন ওভার।
পরে পাওয়ার শেষ ওভারে উইকেটের সম্ভাবনা জাগান মুস্তাফিজুর রহমান। কিন্তু কাভারে অল্পের জন্য ক্যাচ নাগাল পাননি তাওহিদ হৃদয়। তাই বেঁচে যান তেজা নিদামানুরু।
আক্রমণে এসে প্রথম বলেই সাফল্য পেলেন তাসকিন আহমেদ। ঝড় তোলার আভাস দেওয়া ম্যাক্স ও'ডাউডকে ফিরিয়ে দিলেন বাংলাদেশের অভিজ্ঞ পেসার।
তাসকিনের স্টাম্পের ওপর করা ডেলিভারি অন সাইডে খেলার চেষ্টায় লিডিং এজ হয় ও'ডাউডের। শর্ট কাভারে সহজ ক্যাচ নেন জাকের আলি অনিক। উল্লাসে ফেটে পড়েন তাসকিন।
৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২৩ রান করে ফেরেন ও'ডাউড। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান অনিল তেজা নিদামানুরু। আরেক ওপেনার বিক্রমজিত সিং ৪ বলে ২ রানে অপরাজিত।
আরও পড়ুন
চার বছর পর সুযোগ পেলেন সাইফ |
![]() |
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শেখ মেহেদি হাসানের প্রথম ওভারে ৩ রানের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। পরের ওভারে শরিফুল ইসলামের ওপর ঝড় তোলেন ও'ডাউড। দারুণ ব্যাটিংয়ে তিনটি চার মারেন ডাচ ওপেনার।
মেহেদির পরের ওভারে ম্যাচের প্রথম ছক্কা মেরে দেন ও'ডাউড। তবে তাকে বেশিক্ষণ টিকতে দেননি তাসকিন।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩.৩ ওভারে নেদারল্যান্ডসের সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৫ রান।
দুই চারের সঙ্গে বিশাল এক ছক্কায় ৯ বলে ১৯ রানের ইনিংস। তাতেই ইতিহাস গড়ে ফেললেন কাইরন পোলার্ড। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে করে ফেললেন ১৪ হাজার রান। এর সঙ্গে ৩৩২ উইকেট।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একসঙ্গে ১৪ হাজার রান ও ৩০০ উইকেট নেই বিশ্বের আর কোনো ক্রিকেটারের। এমনকি ১০ হাজার রান ও ৩০০ উইকেটের কীর্তিও নেই কোনো ক্রিকেটারের।
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বার্বাডোজ রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে ১৪ হাজার রান পূর্ণ করেন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলতে নামা পোলার্ড।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৭১২ ম্যাচের ৬৩৩ ইনিংসে ব্যাট করে পোলার্ডের সংগ্রহ ঠিক ১৪ হাজার রান। একটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি তিনি ফিফটি করেছেন ৬৪টি। আর স্ট্রাইক রেট ১৫০.৯৭!
এই ফরম্যাটে ১৪ হাজার রান করা বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার পোলার্ড। তার আগে এই মাইফলক স্পর্শ করা একমাত্র ক্রিকেটার তারই জাতীয় দলের সতীর্থ ক্রিস গেইল। অবসরের আগে ৪৫৫ ইনিংসে ১৪ হাজার ৫৬২ রান করেছেন ইউনিভার্স বস।
এরই মধ্যে ক্রিকেট ছেড়ে দিয়েছেন গেইল। তাই পোলার্ডের সামনে সুযোগ আছে গেইলকে ছাড়িয়ে এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ রানের মালিক হওয়ার। সেজন্য হয়তো তাকে খেলতে হবে আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগ।
এছাড়া বলতে পোলার্ডের নামের পাশে আছে ৪২৫ ইনিংসে ৩৩২ উইকেট। পার্ট টাইম মিডিয়াম পেসার হিসেবেই বেশি খেলেছেন তিনি। ক্যারিয়ারে ৪ উইকেট নিয়েছেন ৮ বার। তার সেরা বোলিং ফিগার ১৫ রানে ৪ উইকেট।
দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে অল্পসংখ্যক রান আর উইকেট জাতীয় দলের হয়ে নিয়েছেন পোলার্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের হয়ে ১০১ ম্যাচ খেলে ১ হাজার ৫৬৯ রান করেন তিনি। জাতীয় দলের জার্সিতে এই সংস্করণে তার প্রাপ্তি ৪২ উইকেট।
দীর্ঘ প্রায় চার বছরের অপেক্ষার পর নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ দিয়ে মূল জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পেলেন সাইফ হাসান।
মাঝে ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে তিনটি ম্যাচ অবশ্য খেলেছিলেন সাইফ। সেই ম্যাচগুলোর আন্তর্জাতিক মর্যাদাও ছিল। তবে একই সময়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলায়, ওই আসরে কোনো দেশ তাদের মূল দল পাঠায়নি।
এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলার পর আর এই ফরম্যাটে জাতীয় দলের হয়ে খেলার ডাক পাননি টপ-অর্ডার ব্যাটার।
তাই প্রায় চার বছরের বিরতি দিয়ে আবার টি-টোয়েন্টি খেলতে নামবেন সাইফ। সব মিলিয়ে আগের পাঁচ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৫২ রান। বল হাতে কোনো উইকেট নেই।
এছাড়া বাংলাদেশের একাদশে তিন পেসারের সঙ্গে দুই স্পিনার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। পেস বিভাগে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে আছেন দুই বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম।
আরও পড়ুন
ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে যুবাদের ইংল্যান্ড সফর |
![]() |
আর লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেনের সঙ্গে আছেন অফ স্পিনার শেখ মেহেদি হাসান। দলের প্রয়োজনে সাইফ হাসানকেও অফ স্পিন করতে দেখা যাবে।
বাংলাদেশ একাদশ:
তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলি অনিক (উইকেটোরক্ষক), শেখ মেহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম।
নেদারল্যান্ডস একাদশ:
ম্যাক্স ও’ডাউড, বিক্রমজিত সিং,অনিল নিদামানুরু, স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), নোয়াহ ক্রোয়েস, কাইল ক্লেইন, আরিয়ান দত্ত, পল ফন মিকেরেন, শরিজ আহমাদ, ড্যানিয়েল ডোরাম, টিম প্রিঙ্গেল।
৪ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৭ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে
১১ দিন আগে
১১ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৪ দিন আগে
১৪ দিন আগে
১৪ দিন আগে
১৫ দিন আগে
১৬ দিন আগে